কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব | Kivabe Online Business Korbo | How to start online Business

আজকের দিনের দাঁড়িয়ে online business একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে কারন আসতে আসতে সবকিছুই internet কেন্দ্রিক হয়ে উঠছে

তাই আজ আমরা জেনে নেব কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব তা নিয়ে বিস্তারিত। কিন্তু তার আগে আমি একটি কথা আপনাদের জানাতে চাই

বর্তমানে internet এ অনলাইন বিজনেস নিয়ে অনেক আর্টিকেল রয়েছে সেগুলো কিন্তু online business  এর থেকে বেশি বলছে make money online এর কথা অর্থাৎ আপনাদের বলছে কিভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করবো সেই নিয়ে।

কিন্তু আপনি নিজে ভেবে দেখুন কোনটা ঠিক blogging, affiliate marketing এসব করে online income আবার online business দুটো কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস

এই আর্টিকেলের শুরুতেই ছোট্ট করে জেনে নিই অনলাইন ব্যবসা (online business) কি

- অনলাইন ব্যবসা শুরু করব Kivabe Online Business Korbo How to start online Business 1

Table O Content hide

অনলাইন ব্যবসা (online business) কি?

ইন্টারনেট কেন্দ্রিক কোনো ব্যাবসাকে আমরা অনলাইন ব্যবসা বলে থাকি।

এখানে physical কোনো দোকান নেই। জিনিস কেনা বা অর্ডার করা, প্রোডাক্ট দেখা সবকিছুই হয়  virtually বা অনলাইনে। এখন আমরা দেখে নিই কি কি উপায়ে অনলাইন ব্যবসা শুরু করা যায়

ব্যবসা শুরু করার পদ্ধতি

১. অনলাইন বিজনেস ক্যাটাগরি

একটা জিনিস ভাবুন যখন আমরা যখন কোনো দোকানে কিছু কিনতে যায় তখন আমাদের দোকানটিতে কি কি পাওয়া যায় জানতে হয়। আমরা computer কেনার থাকলে কাপড়ের দোকানে কখনই যায় না। এটাই হল অনলাইন বিজনেস ক্যাটাগরি। অর্থাৎ আপনার online business এ সর্বদায় একটি বিজনেস ক্যাটাগরি থাকবে

কোন business category ভালো ?

ভালো অনলাইন বিজনেস ক্যাটাগরি  খোঁজার জন্য কিছু জিনিস মাথায় রাখা দরকার

  • Market এ সেটি high demand থাকবে অর্থাৎ কাস্টমারের চাহিদা রয়েছে এরকম কিছু
  • সেটি যেন seasonal না হয় অর্থাৎ ধরুন আপনি আতসবাজি যদি বিক্রি করেন তার বিক্রি একমাত্র পুজোর আগেই বেশি হয়ে থাকে বাকি সময় কম এরকম হলে সেটি ভালো business category না কারন তাহলে বাকি টাইম আপনাকে বসে থাকতে হবে
  • চেষ্টা করুন এরকম কিছু খুঁজতে যেখানে সাপ্লাই অনেকটা কম রয়েছে

২. ব্যবসা করার মার্কেটপ্লেস

অমুক দোকানের অবস্থান অমুক একটি মোড়ে, এটি একটি ব্যাবসার অবস্থান বোঝায় সেরকমই আপনাকেও একটি marketplace খুঁজে নিতে হবে অনলাইন ব্যবসা করার জন্য ।

সেরকম মার্কেটপ্লেস  কিভাবে পাবেন

অনলাইনে প্রচুর মার্কেটপ্লেস রয়েছে কিন্তু আগে দেখুন কোনটা সেই ব্যাবসার সাথে ঠিক ঠাক হবে এবং আপনি আসলেই কি চাইছেন

একটা জিনিস ভেবে দেখুন ফেসবুক মার্কেটপ্লেস বা ইউটিউব এর মাধ্যমে ব্যাবসা আপনি করতেই পারেন কিন্তু যদি এমন কখনো হয় ফেসবুক তার policies এ কোন পরিবর্তন নিয়ে এলো সেটি কিন্তু আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। তাহলে কি করা সবথেকে ভালো ?

সবথেকে ভালো হয় আপনি একটি ই- কমার্স স্টোর বা ওয়েবসাইট তৈরি করুন বা কম দামে করিয়ে নিন এবং সেখানে আপনার প্রোডাক্টের ভালো একটি ছবি , বর্ণনা দিন । এবার সেই প্রোডাক্টটি আপনি ফেসবুক বা অন্যান্য জায়গায় প্রচার করুন পেজ বানিয়ে বা গ্রুপে বা কোনো চ্যানেল খুলে

কিভাবে প্রচার করবেন তার খুব সুন্দর সুন্দর আইডিয়া আমি আপনাদের দেব এই আর্টিকেলেই

কিন্তু তার আগে কিছু জিনিস বলে দিই ই- কমার্স স্টোর তাদের জন্য যারা ব্যাবসাটাকে brand বানাতে চান এক্ষেত্রে আসতে আসতে ব্যাবসা বারলে আপনাকে আরও কর্মচারী ও রাখতে হতে পারে

online business শুরু করলে আপনাদের প্রথম যেটা মাথায় রাখতে হবে আপনি কি হিসাবে কাজ করতে চান। যদি আপনি নরমাল ভাবে কোনো অনলাইন বিজনেস শুরু করতে চান, যেমনটা আপনি শুনে থাকেন – ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা বা রিসেলিং ব্যাবসা সেরকম নাকি আপনি আপনার ব্যাবসাকে খুবই উঁচুতে নিয়ে যেতে চান

আপনার জন্য কোনটা ?

বাড়ীর মহিলা যারা সংসারের পাশাপাশি অনলাইন বিজনেস করে ইনকাম করতে চাইছেন বা কেউ পার্টটাইম ছোট খাটো কিচ্ছু করতে চাইছেন বা যাদের প্রাথমিক invest কম তাদের জন্য সেরা হবে যদি আপনি ফেসবুক পেজ বানিয়ে বা ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে সেটাকে বেস ধরে আপনি প্রোডাক্ট যুক্ত করে বিভিন্ন গ্রুপে বা জায়গায় প্রচার করুন

কারন নিজস্ব ই- কমার্স স্টোর বানিয়ে সেটিকে রক্ষণাবেক্ষণ এরও খরচ পড়ে কিন্তু ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেল পুরো ফ্রিতেই হয় এবং রিচ অনেক বেশি হয়

৩. ব্যবসার প্রোডাক্ট সিলেক্ট করুন

আপনি যে বিজনেস ক্যাটাগরি তে কাজ করতে চাইছেন সেই বিজনেস ক্যাটাগরির প্রোডাক্টের ব্যাপারে সার্চ করুন। এবং সেগুলোর মার্কেটে চাহিদা জানার চেষ্টা করুন সেই রিলেটেড যারা কাজ করছে তাদের থেকে বা একজন সাধারণ মানুষ সেই বিষয়ে কি কি ভাবছেন সেইটি জানার চেষ্টা করুন

প্রোডাক্টের ছবি মার্কেটপ্লেসে অ্যাড করুন যাতে সেই পাবলিকে থাকে এবং লোকজন দেখতে পায় সার্চ করে

ব্যাবসা সফল করতে গেলে সর্বদা চেষ্টা করুন সাধারণ মানুষের সমস্যা কোন জায়গায় এবং সেটি বুঝে আপনার ব্যাবসায় তার সলিউশন রাখার চেষ্টা করুন

আরও একটি জিনিস মাথায় রাখার মতো আপনার প্রোডাক্টকে কাস্টমারের কাছে তুলে ধরার জন্য কাস্টমার ওই রিলেটেড কি কি সার্চ করছে বা খুঁজছে সেটি জানতে চেষ্টা করুন এবং আপনার প্রোডাক্টকে সেই অনুযায়ী তুলে ধরুন

৪. ব্যাবসার মার্কেটিং কিভাবে করবেন

আপনার ব্যাবসার বা প্রোডাক্টকে marketing করে তাড়াতাড়ি সফল করার অন্যতম মন্ত্র ” relatedness ” । এটি আসলে কি ?

আপনার ব্যাবসার যেই সম্পর্কিত সেই সম্পর্কিত কাস্টমারকে টার্গেট করাটায় হল সবচেয়ে বুদ্ধিমান কাজ। যেমন ধরুন – আপনার কাস্টমার কাপড় কিনতে চাইছে, তাকে যদি আপনি মোবাইল দেখান সে কিনবেনা কারন তার ইন্টারেস্টই হল কাপড় কেনায়।

এখানে আমি তিনটি স্টেপ এর একটি পদ্ধতির কথা বলছি যেটি কাজে লাগালে আপনার প্রোডাক্ট বা ব্যাবসা খুবই ভালো ফল করতে পারে

ক. টার্গেট কাস্টমার খুঁজুন

প্রথমে আপনার যে প্রোডাক্ট অর্থাৎ যেটি বিক্রি করতে চাইছেন সেই প্রোডাক্টের নির্দিষ্ট ” টার্গেট কাস্টমার গ্রুপ ” খুঁজুন । মানে যারা যারা ওই প্রোডাক্টটি কিনতে পারে। তাতে করে আপনার প্রোডাক্টটি তাদের কাছেই পৌঁছাবে যাদের দরকার রয়েছে

কিভাবে খুঁজবেন ?

যখন অনলাইনে কারুর কিছু কেনার থাকে সে প্রথম যেটি করে কিছু  word লিখে সার্চ করে গুগল বা অন্য সার্চ ইঞ্জিনে যেমন ধরুন ব্যাবসা নিয়ে জানতে চাইলে how to start online business , best way to start online business বা online business ideas এরকম লিখে যেগুলোকে বলা হয় কিওয়ার্ড। সুতরাং আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড কি কি লিখে সার্চ হচ্ছে ফেসবুক, গুগল বা ইউটিউবে সেটি দেখুন।

সেই লেখাগুলো দিয়ে সার্চ করলে কি কি ফলাফল বা ভিডিও আসছে দেখুন এবং সেই সব ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবসাইটের নাম লিস্ট করে রাখুন

এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো আমার একটি আর্টিকেল রয়েছে ” কিওয়ার্ড কি ও কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ” এটি পড়লে আপনাদের অনেক সাহায্য হবে কারন এটি থেকে এমন কিছু জিনিস নিয়ে জানতে পারবেন যা business grow করতে সাহায্য করবে যা নিয়ে আমি বিস্তারিত নিয়ে জানিয়েছি

খ. কাস্টমারের কাছে পৌঁছান

আপনার কাছে এখন আপনার ব্যাবসায় টার্গেট করা যাবে এমন কাস্টমারের লিস্ট রয়েছে । এখন আপনার কাজ হচ্ছে সেই কাস্টমারের কাছে পৌঁছানো

এর জন্য আপনাকে কি করতে হবে?

ইউটিউবের ভিসিটরকে টার্গেট করার জন্য আপনার সিলেক্ট করা চ্যানেলের মালিকের সঙ্গে কথা বলুন about সেকশনে দেওয়া business mail দিয়ে কারন তার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার কিন্তু আপনার প্রোডাক্টের উপর ইন্টারেস্ট রাখে

এখানে আপনি তিনটি জিনিস করতে পারেন –

  • যে ভিডিওগুলো একদম উপরের র‍্যাঙ্ক করে আছে সেগুলোর description বক্স এ আপনার প্রোডাক্টের লিঙ্ক দিতে, এক্ষেত্রে তার অনেকটায় কম চার্জ করবে
  • আপনার প্রোডাক্টের একটি ভিডিও তৈরি করতে এক্ষেত্রে সে বেশি টাকা নিতে পারে
  • তার সাথে কলাব বা একটি ভিডিও করতে চেষ্টা করুন যাতে আপনাকে প্রোমোট করবে

ফেসবুকের জন্য পেজ মালিকের সাথে যোগাযোগ করুন আপনার প্রোডাক্টটি পোস্ট করার জন্য কিন্তু মনে রাখবেন পোস্টের লেখা বা ছবি সবকিছু আপনি তাদের দেবেন এবং আপনার কাস্টমারকে লেখার মাধ্যমে আকর্ষিত করতে চেষ্টা করবেন

ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও একইভাবে contact us পেজে গিয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন

এবার একটি ব্যাপার আপনাদের বলি, কেন আমি কিওয়ার্ড রিসার্চ  করার কথা বললাম কারন এক্ষেত্রে আপনি দুটো জিনিস করতে পারবেন –

  • যদি আপনার বাজেট বেশি না হয় তাহলে আপনি নিজে ভিডিও বানিয়ে youtube tag, description, title ওই বেশি বেশি সার্চ হওয়া কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে একই কাস্টমারকে ফ্রিতে টার্গেট করতে পারেন
  • যদি আপনার ই-কমার্স স্টোর থাকে তাহলে আপনি আপনার প্রোডাক্টে ওই কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে optimize করতে পারেন

গ. কাস্টমার বেস তৈরি করুন

এই ধাপে আপনার কাস্টমারকে আপনার সাথে যুক্ত করুন ডেডিকেটেড গ্রুপ বানিয়ে । এতে করে আপনি যে যে কাস্টমার পাবেন তারা কিন্তু খুবই টার্গেটেড এবং আপনার প্রোডাক্টের ব্যাপারে ইন্টারেস্ট রাখে সুতরাং আপনার একটা ভালো কাস্টমার-বেস তৈরি হয়েই থাকবে

৬. অনলাইন ব্যাবসার ডেলিভারি সার্ভিস

খদ্দের যখন কোনো কিছু অর্ডার করবে আপনাকে সেটি তার কাছে পৌঁছানোর ব্যাপারটিকে দেখতে হবে। যদি সেটি আপনার লোকাল বিজনেস হয়ে থাকে তাহলে সমস্যা অনেকটায় কম কারন এতে আপনি নিজেই খুব সহজে কাজটি করতে পারবেন। কিন্তু দূরবর্তী ক্ষেত্রে সেটি অনেক সমস্যার। এই জন্য ক্যুরিয়ার সার্ভিস বা ডেলিভারি সার্ভিস থাকাটা জরুরী ।

আপনাকে দেখতে হবে কোন সংস্থা কত কম দামে এবং কম সময়ে পরিষেবা দিচ্ছে সেটি হলে আপনার লাভের পরিমান বেশি থাকবে এবং কাস্টমারও বিরক্ত হবেনা । আপনার ব্যাবসার একটি ভালো বার্তা পৌঁছাবে

অনলাইনে ব্যবসা করার নিয়ম

  • কাস্টমার ভ্যালু – আপনার কাস্টমারকে যত বেশি ভ্যালু দিবেন অর্থাৎ তার যত বেশি হেল্প করবেন সে তত বেশি ইম্প্রেসড হবে
  • কাস্টমার রিভিউ নিন – আপনি কাস্টমারকে ডেলিভারি করার পর প্রোডাক্টের ব্যাপারে রিভিউ নিন এবং ভালো রিভিউগুলি যুক্ত করুন আপনার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন বিজনেস করছেন । এতে বাকি কাস্টমার আপনার ব্যাবসাকে ট্রাস্ট বা বিশ্বাস করতে শুরু করবে
  • কাস্টমারের সাথে ভালো ব্যাবহার রাখুন নাহলে সেটি অন্য কাস্টমারের জন্য ভালো বার্তা নিয়ে পৌঁছাবেনা
  • কাস্টমার বেস তৈরি – আমি আগেই বললাম কাস্টমার বেস তৈরি করলে আপনার নতুন প্রোডাক্টগুলি এই কাস্টমার গ্রুপে পোস্ট করলে অনেকেই কিনতে আগ্রহী হবে
  • কম পুঁজিতে শুরু করুন – অনলাইনে ব্যাবসা প্রাথমিক অবস্থায় কম পুঁজিতে শুরু করুন এবং লাভের অংশ থেকে ব্যাবসা বাড়াতে চেষ্টা করুন
  • ধৈর্য রাখুন – প্রথম প্রথম সেল বা বিক্রি আসতে অনেকটায় সময় লাগে। অনলাইনে ব্যাবসা ছাড়া অন্য যা কিছু সবই করতে গেলে সব ক্ষেত্রেই প্রাথমিক অবস্থায় ধৈর্যের দরকার হয়

অনলাইন ব্যবসার সুবিধা

  • অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে International Customer ধরতে পারবেন কারন এটি কোনো গণ্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় তাই ব্যবসাকে International করার সুযোগ রয়েছে
  • এক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট বা ব্যাবসা যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়, তাহলে কাস্টমারের কাছে অনেক বেশি ভালো ফল করবে, সে পরবর্তী জিনিস কেনার আগে আপনার কথা একবার হলেও ভাববে, সে তার বন্ধুমহলে জিনিসটি ফ্রিতেই প্রমোট করবে
  • অন্যান্য পদ্ধতির সাথে তুলনা করলে অনলাইন ব্যবসায় ডিজিটাল মার্কেটিং করে লাভের পরিমান অনেক বেশি হয়ে থাকে
  • অনলাইন ব্যবসা বর্তমানে growing stage-এ রয়েছে। যেকোনো জিনিসই growing stage থেকে শুরু করতে পারলে saturated stage এ অনেক সুবিধা লাভ করা যায়, আর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইনকাম বাড়ানো যায়
  • এখানে অন্যতম একটি বড় ফ্যাক্টর হল interest based target, যেটি অনলাইন ব্যবসার বড় অস্ত্র। আপনি যদি সেই সব কাস্টমারের কাছে প্রোডাক্ট দেখান যারা ওই সম্পর্কিত জিনিস পছন্দ করে। তাহলে কেনার চান্স বেড়ে যায় ফলে conversion rate বাড়বে, আপনাকে যাদের ইন্টারেস্ট নেই তাদের অ্যাড দেখানোর বা খাটুনির পরিমান অনেক কমে যাবে

অনলাইন ব্যবসার প্রশ্নোত্তর

সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি ?

সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হল – ডিজিটাল মার্কেটিং, প্রিন্ট অন ডিম্যান্ড, online FBA Business

অনলাইন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স কি ?

সরকার অনলাইনে বিক্রির জন্য লাইসেন্স দিয়ে থাকে ট্যাক্সের বিনিময়ে

কোন কোম্পানি সর্বপ্রথম অনলাইন ব্যবসা শুরু করে ?

বোস্টন কম্পিউটার এক্সচেঞ্জ সর্বপ্রথম অনলাইন ব্যবসা শুরু করে । এটি ছিল বিশ্বের প্রথম ই-কমার্স কোম্পানি।

ফেসবুকে কি কি ব্যবসা করা যায় ?

ফেসবুকে print on demand, reselling ব্যবসা, Handmade Gift Business, dress বিক্রি, jewelry making business, বিয়ের তত্ত্ব সাজানো, T shirt printing, handcrafts selling ব্যবসা করা যায়

রিয়েল এস্টেট ব্যবসা কি ?

রিয়েল এস্টেট ব্যবসা হল সম্পত্তি যেখানে জমি, জমির উপরে থাকা ঘর বাড়ি, ফ্ল্যাট ইত্যাদি কেনা বেচার ব্যবসা

ছাত্রদের জন্য ব্যবসা কি কি ?

ছাত্রদের জন্য কিছু ব্যবসা হল – assignment করা, প্রোজেক্ট করার ব্যবসা, রিসেলিং ব্যবসা , T shirt printing , কোচিং ব্যাবসা, অনলাইন টিউশন ব্যবসা

অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা কিভাবে করব ?

নিজস্ব ব্র্যান্ড এর ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরী করুন। ভালো ফটোগ্রাফারকে দিয়ে প্রোডাক্টের ছবি তুলে ওয়েবসাইট এ আপলোড করুন। ওয়েবসাইট বিভিন্ন মাধ্যমে প্রমোট করুন আমাজন বা ফ্লিপকার্ট এর মতো পপুলার ওয়েবসাইট এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন এবং ওখানেও আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করুন

পড়ুন – বাড়িতে বসে কাজ করে ইনকাম কিভাবে করবেন ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *