ডেটাবেজ কি বা কাকে বলে | Database Meaning in Bengali | Database Kake Bole

আমরা যারা টেকনোলজির ব্যাপারে একটু ইন্টারেস্টেড তারা প্রত্যেকেই ডেটাবেজ এই শব্দটার সঙ্গে পরিচিত কিন্তু আমাদেরকে কেউ যখন ডাটাবেস সম্পর্কে বিশদে কিছু জিজ্ঞাসা করে তখন আমরা সঠিকভাবে বলতে পারিনা

আজ আমি এই আর্টিকেলের আপনাদের ডাটাবেজ সম্পর্কে বেসিক কিছু জিনিস খুবই সহজে বোঝাবো

আজ আপনি জানবেন ডেটাবেজ কি এবং কত প্রকার , রিলেশনাল ডাটাবেজ কি ,কম্পিউটার ডাটাবেজ কি, ডাটাবেজ কিভাবে তৈরি করা যায় এসমস্ত কিছু সম্পর্কে

Data কি ?

ডাটাবেস সম্পর্কে জানতে গেলে আগে এটা জানা প্রয়োজন ডাটা কি ?

আমরা কম বেশি সবাই জানি ডাটা আসলে কি সহজে বলতে গেলে ডাটা বলতে কোনো কিছুর information কে বোঝায়

আপনার ক্ষেত্রে ডাটা কি হতে পারে ? আপনার নাম ,ইমেইল ,ঠিকানা ফোন নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা

আবার একটি স্কুলের ক্ষেত্রে তার স্টুডেন্টদের পার্সোনাল ইনফরমেশন এ এক প্রকার ডাটা

আবার একটি ব্যাঙ্ক এ কাস্টমারের ব্যাঙ্ক detailsই হলো ডাটা অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে সব ক্ষেত্রে ডাটা রয়েছে সুতরাং একটি স্কুলের যেমন ডাটা রাখার প্রয়োজন রয়েছে তেমনি একটি ব্যাংকেরও ডাটা কোথাও জমা রাখার প্রয়োজন রয়েছেএই সমস্যাটি সমাধান করে ডাটাবেস

ডেটাবেজ কি (Meaning of database in Bengali)

ডাটাবেজ হলো একটি তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, যেখানে related information প্রথমে সংগ্রহ করা হয়, সেগুলিকে জমা রাখা হয়, এবং প্রয়োজন বিশেষে সেখান থেকে access করা যায়

আগেকার দিনে অফিস স্কুল কলেজে গিয়ে আপনি দেখে থাকবেন সেখানে data জমা করার জন্য অনেক ফাইল এর ব্যবহার হতো, এমন কি অনেক পুরনো সিনেমায় থানায় পুরনো ফাইল বের করার দৃশ্য দেখা যায়

কিন্তু আজকালকার দিনে ফাইলে জমা করার ব্যাপার পুরোপুরি উঠে গেছে এর বদলে এসেছে  ডাটাবেজ , সেখানে আপনি যে কোন তথ্য জমা রাখতে পারবেন শুধু ইন্টারনেট ও কম্পিউটারের মাধ্যমে এই পুরো ব্যাপারটাই হয় digital

ডাটাবেজ এর বৈশিষ্ট্য (characteristics)

  • একটি ডাটাবেজ তৈরি করার পর সেটিকে সেটিকে update করার প্রয়োজন হয় যাতে আরো নতুন ডাটা জমা করা যায়
  •  লাইব্রেরীতে যেমন নির্দিষ্ট বিষয়ের বই নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হয় তেমনি ডাটাবেসের ক্ষেত্রেও শ্রেণীবদ্ধ ভাবে সাজানো খুবই প্রয়োজন কারণ সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে পাওয়া যায় খুব সহজে
  • ডাটা জমা রাখতে কম্পিউটারের সাথে digital memory device হার্ডডিক্সকে যুক্ত করা হয় অথবা ক্লাউড কম্পিউটিং এর সাহায্য নেওয়া হয়

ডাটাবেসের কাজ (functions of database)

  • ডাটাবেজ মূলত দ্রুতগতিতে ডাটা খোঁজার কাজ করে থাকে এবং যাতে খুবই নিরাপদে ডাটা সংরক্ষণ করা যায় তার ব্যবস্থা করে থাকে
  • ডাটাবেসের ডাটা প্রসেস করে আমরা জানতে পারি নির্দিষ্ট ডাটা গুলি কি প্রকৃতির ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অর্থাৎ সেইটা গুলি কি ধরনের
  • ডাটাবেজ গুলিকে বিভিন্ন হিসেব-নিকেশ, বার্ষিক রিপোর্ট, বিভিন্ন স্কুল কলেজের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি ও সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়

আসলে Database বলতে কি বোঝায় 

ডাটাবেজ কি এ সম্পর্কে উপরের লেখাটুকু যদি আপনি কিছু বুঝতে না পারেন তাহলে আরো সহজে আমি বোঝানোর চেষ্টা করছি ডাটাবেস বলতে আসলে কি বোঝায়?

ধরুন কোনো একটি কলেজে 1000 জন স্টুডেন্ট রয়েছে এখন তাদের নির্দিষ্ট রোল নাম্বার অনুযায়ী খাতা দেখে নাম্বার বসানো হলো

প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর রোল নাম্বার, ক্লাস , প্রাপ্ত নম্বর ও অন্যান্য পার্সোনাল ডিটেলস ইউনিভার্সিটি মাইক্রোসফট এক্সেল সিতে বসিয়ে ইউনিভার্সিটির ডাটাবেসে জমা করে দিলো

এখন নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষার্থীরা তাদের রোল নাম্বার অনুযায়ী প্রাপ্ত নম্বর দেখে নিতে পারল ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে অর্থাৎ এখানে ডাটাবেসের এক্সেস হচ্ছে একে বলা হয় accessing database

ওই নির্দিষ্ট তথ্যগুলি ইউনিভার্সিটির ডাটাবেসের যতদিন খুশি সংরক্ষিত করে রাখা যাবে

ধরুন যেসময়ে পরীক্ষার্থীরা তাদের রেজাল্ট দেখছিল তাদের রোল নাম্বার অনুযায়ী যদি সঠিক ফলাফল না দেখাত, তবে কি সেটা সঠিক হত?

এই ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তথ্য জমা করা থেকে শুরু করে তথ্য অ্যাক্সেস করা পর্যন্ত সমস্ত ব্যাপারটিকে সহজতর করার কাজটি করে থাকে 

তাহলে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি? এ সম্পর্কে জানার পর আমাদের জানা প্রয়োজন ডাটাবেজ প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার কি কি রয়েছে

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS কি ?

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Database Management SystemDBMS) এর পুরো কথাটি দেখেই আমরা বুঝতে পারছি এমন একটি সিস্টেম যেখানে খুব সহজে যেকোনো ধরণের ডাটাকে collect, store ও access করা যায়

DBMS হলো একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার প্যাকেজ যা আপনার সমস্ত ডেটাবেজকে maintain করার কাজে লাগে

এখন আমরা প্রত্যেকেই জানি, ডাটাবেস মেইনটেইন বলতে এখানে ডাটাবেসে data edit, data remove, update এই সব কাজ খুবই সহজে করা যায়

তাহলে এখন জেনে নেওয়া যাক ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বা ডাটাবেস প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার কোনগুলো?

ডাটাবেজ সফটওয়্যার সমূহের তালিকা (DBMS Software)

এখনকার দিনে অনেক ডাটাবেস প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার রয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল –

১. dBase

প্রথম তৈরী করা DBMS Software ছিল dBase .এটি খুবই successful একটি software ছিল

1980 সালে Ashton-Tate company এই সফটওয়্যারটি publish করেছিল microcomputer এর জন্য মাইক্রোকম্পিউটারের OS এর জন্য এটিকে ব্যবহার করা হতো

এই সফটওয়ারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচারস ছিল যেমন – database engine, query system, form engine.

পরে এই DBMS সফটওয়্যারটি Apple ও IBM PC এই দুই জায়গায় ব্যবহৃত হতে থাকে এবং একটা সময় best selling software তকমাও পেয়েছিলো এই সফটওয়্যারটি

২. Foxpro 

Fox software দ্বারা publish করা foxpro একটি object oriented programming বেসড DBMS software .২০০৭ সালে Microsoft windows এর সাথে প্রতিযোগিতায় না পেরে এটি বন্ধ হয়ে যায়

৩. Oracle 

Oracle corporation এর তৈরী এই সফটওয়্যারটি বর্তমানে বহু জায়গায় খুবই জনপ্রিয় ও বহুল ব্যাবহৃত ল্যারি এলিসন ও তার সহকর্মী এই Oracle corporation প্রতিষ্ঠা করেন

এই সফটওয়্যারটি একটি object-relational database management system software তাই একে oracle RDBMS ও বলা হয়

৪. MySQL 

SQL কথাটির full form হল Structured Query Language .এই DBMS software টিও আগের মতোই একটি object-relational database management system software .

1995 সালে MySQL AB কোম্পানীর তত্ত্বাবধানে এই সফটওয়্যার তৈরী হয়,যার মালিক ছিলেন M. Widenius

পরে oracle corporation এটিকে কিনে নেয়

Database এর কিছু টার্ম (Operational Term)

  • Insert – ইনসার্ট এর মানে হলো কোনো ডাটাবেসে কোনো তথ্যকে জমা করা বা ঢোকানো যেমন ধরুন আপনি কোনো স্টুডেন্ট ডাটাবেস এর মধ্যে রোল নাম্বার ,ক্লাস ,ঠিকানা ইত্যাদি জমা রাখলেন
  • Update – আপডেট করা মানে ডাটা বেসে যে ডাটা আছে ওটাকে আরো তথ্য যোগ করে মডার্ন বা সময় উপযোগী করে তোলা স্টুডেন্ট ডাটাবেসে ঠিকানা বা সময় আপডেট করা যেতে পারে
  • Delete -কোনো ডাটাবেসে তথ্য না রাখতে চাইলে ডিলিট করা যায়
  • Store  – কোনো ডাটাবেসে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডাটাকে জমা রাখা
  • Access – কেউ সার্চ করলে তৎক্ষণাৎ সেই ডাটা তার কাছে রেজাল্ট হিসাবে বেরিয়ে আসা যেমন গুগলে সার্চ করলে গুগলের ডাটাবেস থেকে তথ্য বেরিয়ে আসে

ডাটাবেস মডেল এর প্রকার (Database model types)

ডাটাবেস মডেল কি ?

ডাটাবেস নিয়ে তো জানলেন ডাটাবেসে তথ্য জমা রাখা হয় কিন্তু তাহলে ডাটাবেস মডেল কি ?

ডাটাবেসে যে ডাটা জমা থাকে সেই ডাটাকে অ্যাক্সেস করে বের করে আনতে যে রুল কাজ করে বা যে মডেল অনুযায়ী ডাটাগুলি বেরিয়ে আসে তাকে ডাটাবেস মডেল বলা হয়

এখনো বুঝতে না পারলে খুব সহজে বুঝিয়ে দিছি

ধরুন  – কোন ব্যাংক এর কাস্টমারদের যে নিয়ে যে ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে সেখানে সব কাস্ট মারের একাউন্ট নম্বর কোনো একটি টেবিলে ,ঠিকানা অন্য একটি টেবিলে সেভ করা হয়েছে আবার তাদের ফোন নম্বর আর একটি টেবিলে এবং তাদের balance আর একটি টেবিলে

এখন ডাটাবেসটি ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে এবার কোনো একটি কাস্টমার তার একাউন্ট নম্বর দিয়ে যদি সার্চ দেয়, তাহলে তার নাম ঠিকানা, ফোন নম্বর, ব্যালেন্স সব  দেখাবে একটি পেজে

এখন ভাবুন যদি প্রত্যেকটি টেবিল কোনো rule দিয়ে অবশ্যই কানেক্টেড আছে তাই  কাস্টমারের সব ডিটেলস প্রত্যেক টেবিল থেকে দেখাচ্ছে

এখন যদি টেবিলগুলি কানেক্টেড না থাকতো তাহলে কাস্টমারের ঠিকানা ভুল দেখাতো বা অন্য কারুর দেখাতো ,ব্যাঙ্ক ব্যালান্স ও অন্য কারুর দেখাতো তাই ডাটাবেসের ডাটা এক্সেস করার জন্য বিভিন্ন মডেল কাজ করে

Database Model এর প্রকার

ডাটাবেজ প্রোগ্রামিং এর ক্ষেত্রে প্রচুর মডেল রয়েছেযেমন –

  • Hierarchical database model 
  • Relational model
  • Network model
  • Object-oriented database model
  • Entity-relationship model
  • Document model
  • Entity-attribute-value model
  • Star schema
  • The object-relational model

এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গুরুত্তপূর্ণ ডাটা মডেল হলো -Hierarchical model, Relational model,Network model তাই আজ এগুলো নিয়ে খুব সহজে আপনাদের বোঝাব  

১. Hierarchical Model  বা শ্রেণীবদ্ধ মডেল কি

গাছের যেমন কাণ্ড থেকে বিভিন্ন শাখাপ্রশাখা বেরিয়ে আসে সেরকমই এই Hierarchical Model  কিছুটা উল্টানো গাছের মতো

এটাকে কিছুটা family tree এর মতো  দেখতে লাগে তাই ফ্যামিলিট্রি অনুযায়ী ভাবলে এই মডেলের একটি root রয়েছে এবং প্রত্যেক চাইল্ড নির্দিষ্ট অর্ডারে সাজানো এবং তাদের প্রত্যেকের সিঙ্গেল parent রয়েছে

ডাটাবেসের ক্ষেত্রে প্রত্যেক অপশনকে এক একটি ডাটা টেবিল হিসাবে কল্পনা করতে হবে

Hierarchical Model of database-in bengali -detalis-overview

60-70 এর দশকে IBM কোম্পানির Information Management Systems এই মডেলটি ব্যবহার করতো তাদের নিজেদের কাজে যেটি পরে ব্যার্থ হয়ে যায় বিভিন্ন টেকনিক্যাল কারনে

২. Network Model বা নেটওয়ার্ক মডেল কি

Hierarchical Model এর থেকে কিছুটা অ্যাডভান্স হলো নেটওয়ার্ক মডেল এটি ম্যাথমেটিক্স এর set theory দিয়ে তৈরী করা হয়েছে এখানে চাইল্ড প্যারেন্ট রিলেসনগুলো একে ওপরের সঙ্গে connected রয়েছে

Data Systems Languages এর কনফারেন্সে Network Modelকে define করার পর এটি 70এর দশকে খুবই জনপ্রিয় একটি মডেল হয়ে ওঠে

Network Model of database-in bengali -detalis-overview

৩. Relational Model সম্পর্কিত বা রিলেশনাল মডেল  কি

এখনো যদি আপনি না জানেন রিলেশনাল মডেল কি ? তাহলে বলা যায় ডাটাবেস মডেলের প্রকারভেদের মধ্যে সবচেয়ে powerful ও কার্যকরী মডেলের একটি হলো সম্পর্কিত বা রিলেশনাল মডেল

এই মডেলটি সাধারণত structured  table অনুযায়ী হয়ে থাকে আর এই টেবিল গুলোকে ডাটাবেসের ভাষায় এক একটি রিলেশন বলা হয়ে থাকে

প্রত্যেকটি টেবিলে সারি বা row ও কলাম রয়েছে যেখানে ডাটা স্টোর করা হয় প্রত্যেক column এ অনেক attribute লিস্ট করা থাকে ,যেমন -price ,date of birth,zip code ইত্যাদি এই রিলেসন টেবিলে থাকা attribute গুলিকে একসাথে ডোমেইন বলা হয়

যখন কোনো একটি রিলেশন টেবিলে থাকা একটি নির্দিষ্ট এট্রিবিউটকে primary key হিসাবে রেখে অন্য টেবিলের সাথে সংযোগ করা হয় তখন তাকে foreign key বলা হয়

রিলেশন বা টেবিলের প্রত্যেকটি row কে tuple বলা হয়ে থাকে 

ডাটাবেসের মধ্যে থাকা টেবিল গুলোকে গুলোকে অনেক normalize করে নেওয়া যায় অর্থাৎ যদি টেবিল গুলোকে প্রত্যেকটা ডাটার পিস অনুযায়ী ভাঙলে যে ডাটাগুলো পাওয়া যায় সেগুলো খুবই useful হয়ে থাকে

তাই এই সম্পর্কিত বা রিলেশনাল মডেল সর্বদা flexible, scalable এবং adoptable হয়ে থাকে

EF Codd 1970 সালে এই মডেল তৈরী করেন এই মডেলটি সাধারণত Structured Query Language বা SQL দিয়ে লেখা হয়ে থাকে

relational Model of database-in bengali -detalis-overview
Types Of Relational Database Model ( সম্পর্কিত মডেলের প্রকার )

রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলকে আবার বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায় যেমন –

  • One to One রিলেশন – যখন, ডেটাবেজের একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অপর একটি ডেটাবেস টেবিলের কেবল মাত্র একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে,তখন তাকে One to One রিলেশন বলে
  • One to Many রিলেশন – যখন, ডেটাবেজের একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অপর একটি ডেটাবেস টেবিলের একের বেশি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে,তখন তাকে One to Many রিলেশন বলে
  • Many to One রিলেশন – যখন, ডেটাবেজের একটি টেবিলের অনেকগুলি রেকর্ড অপর একটি ডেটাবেস টেবিলের কেবল মাত্র একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে,তখন তাকে Many to One রিলেশন বলে
  • Many to Many রিলেশন -যখন, ডেটাবেজের একটি টেবিলের অনেকগুলি রেকর্ড অপর একটি ডেটাবেস টেবিলের অনেক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে,তখন তাকে Many to One রিলেশন বলে

কিছু প্রশ্নোত্তর

  • কম্পিউটারকে জন্ম থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে – ডাটাবেজ কে
  • ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার নিচের কোনটি-মাইক্রোসফ্ট এক্সেস
  • ডাটাবেজ অর্থ হল – তথ্যবিন্যাস
  • Datum শব্দের বহুবচন কোনটি – Data
  • Data(ডাটা) শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন – Datum
  • কম্পিউটারকে কোন কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় – ডাটাবেজ
  • কম্পিউটার কীভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে – নির্দেশ অনুযায়ী
  • কম্পিউটারের সনাতন প্রয়োগ হল – ডাটাবেজ
  • কোনটি কম্পিউটারের কাঁচামাল – তথ্য
  • কম্পিউটারের ভাষায় তথ্য কী? – কাঁচামাল
  • রিলেশনাল ডাটাবেজে সর্বনিম্ন ফাইলের সংখ্যা – দুটি
  • ডট প্রম্পট পরিবেশ থেকে মেনু চালিত পরিবেশে যাওয়ার জন্য টাইপ করতে হয় – CHANGE 8
  • কম্পিউটার যা নিয়ে কাজ করে তার সর্বনিম্ন একককে বলে – উপাত্ত
  • RDBMS-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি  – Relational Database Management System
  • টেবিল হচ্ছে ডাটাবেজের – প্রাণ
  • কোনটি অবটেক্ট? – টেবিল, রেকর্ড, ফিল্ড
  • রেকর্ড হল কিছু _____ এর সমষ্টি – ফিল্ড
  • কম্পিউটারের নিকট প্রতিটি তথ্যই একেকটি  – রেকর্ড
  • নিচের কোনটি ছাড়া ডাটাবেজ সক্রিয় হয় না – ফিল্ড
  • ডাটাবেজের ফাইল তৈরি হয় – রেকর্ডের সমন্বয়ে
  • একটি রেকর্ডে থাকতে পারে অনেকগুলো একটি রেকর্ডে অনেকগুলো কী থাকে – ফিল্ড
  • New Record কমান্ড থাকে – Edit মেনুতে
  • কম্পিউটারের নিকট প্রত্যেকটি তথ্যই একেকটি ____ হিসেবে পরিচিত – রেকর্ড
  • ডাটাবেজে রেকর্ড এর অংশগুলিকে কী বলে – ফিল্ড
  • ডাটাবেজে ফিল্ডের সমষ্টিকে বলা হয় কতকগুলো ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় ডাটাবেজে
    সবকয়টি ফিল্ড মিলিয়ে যেসব তথ্য থাকে তাকে কী বলে – রেকর্ড
  • ডাটাবেজে কিসের সমষ্টিকে রেকর্ড বলে – ফিল্ড
  • কী-বোর্ডের HOME বোতামে চাপ দিলে কার্সর রেকর্ডের – প্রথম অক্ষরে যায়
  • ডাটাবেজের নির্দিষ্ট সংখ্যক রেকর্ড অবলোকনের পর আবার সবগুলো রেকর্ড দেখার পরিবেশে
    ফিরে যাওয়ার জন্য – Find All কমান্ড দিতে হয়
  • একটি ডাটাবেজে থাকে কয়েকটি – records
  • কতকগুলি রেকর্ড নিয়ে গঠিত হয় – একটি ডাটাবেজ
  • ডাটাবেজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল – ফিল্ড
  • তথ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করা হয় – ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  • কোনটি বর্ণভিত্তিক ফিল্ডের উদাহরণ – নাম
  • কোনটি চিত্রভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম GUI ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম কোনটি –File Maker Pro
  • ফাইল মেকার প্রো প্রোগ্রামে ডাটাবেজকে কলাম আকারে বিন্যস্ত করতে হয়- এডিট
    মেনুর ফরমেট কমান্ড দিতে হয়
  • ফিল্ডের নাম — গ্রাম, ডাটা —- রাণীপুর, ফিল্ডির ধরন কী হবে? – বর্ণ
  • ডাটাবেজ প্রোগ্রামে সর্টিং-এর মাধ্যমে কী করা হয় – তথ্য বাছাই করা হয়
  • সম্পাদনার কাজ করার জন্য ডাটাবেজকে কোন পরিবেশে উপস্থাপন করতে হয় – ব্রাউজ
  • সাধারণ ডাটাবেজে কয়টি ফাইল থাকে – ১টি
  • ডাটাবেজের ফিল্ড প্রকৃতপক্ষে কিসের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে – ডাটা
  • পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফাইলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে বলা হয় – সম্পর্কযুক্ত
    ডাটাবেজ
  • ব্যক্তির নাম মালেক এবং পেশা হল চাকরি তাহলে মালেক হবে – Entity.
  • কোন একটি এনটিটির এ্যাট্রিবিউটসমূহের সমষ্টিকে বলা হয় – কতগুলো ফিল্ডের সম্মিলিত
    তথ্যকে কী বলে – রেকর্ড
  • ডাটাবেজ ফাইলের এক্সটেনশন কোনটি – DBF
  • অক্ষর বা সংখ্যা অনুসারে সাজানো রেকর্ড– Sort
  • অনেকগুলো এক ধরনের কাজের ফাইল রাখার আঁধারকে কি বলা হয় – ডাইরেক্টরি
  • বয়স লিখার ফিল্ডের ধরণ কোনটি – Number
  • প্রিন্ট করার কী-বোর্ড কমান্ড কোনটি – Ctrl+P
  • ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট বলতে কী বোঝায় – ডাটাবেজ বিভিন্নভাবে সাজানো
  • কম্পিউটার যা নিয়ে কাজ করে তার সর্বনিম্ন একককে কি বলে – ডাটা
  • ডাটাবেজের _____ ব্যবহারই হচ্ছে ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ – বহুমুখী
  • কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম – ফক্সপ্রো
  • ওরাকল (Oracle) কী – ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা সফ্টওয়্যার
  • মাইনফ্রেম কম্পিউটারের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা
    সফ্টওয়্যার বা প্রোগ্রাম কোনটি মেইনফ্রেম কম্পিউটারে জনপ্রিয় ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
    কোনটি? – ওরাকল
  • ORACALE প্রকৃতপক্ষে কোন কম্পিউটারের জন্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম – মেইন ফ্রেম
  • ওরাকল একটি – ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  • আই বি এম পার্সোনাল কম্পিউটারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা
    প্রোগ্রাম হচ্ছে – ডিবেস
  • ডিবেজ একটি – ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম
  • আই বি এম পার্সোনাল কম্পিউটারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা
    প্রোগ্রাম হচ্ছে – ডিবেজ
  • ডিবেজ 3+ হচ্ছে – মেনু ও ডট মোড চালিত প্রোগ্রাম
  • ______ একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় ডাটাবেজ – dBase
  • ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম ডিবেজের চতুর্থ সংরস্করণ হচ্ছে – dBase IV
  • ফক্সবেজের সর্বশেষ সংস্করণ কোনটি – ফক্স প্রো
  • কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয় – Excel
  • ফক্সপ্রো একটি – Foxpro কোন ধরনের প্রোগ্রাম – ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  • ফক্সপ্রো’র সর্বশেষ ভার্সন কোনটি – ভিজ্যুয়াল ফক্সপ্রো
  • কোনটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রাম নয় – Lotus
  • নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম – Foxpro
  • নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয় – র‌্যাটপ্রো
  • ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা সফ্টওয়্যার কোনটি – ফাইল মেকার প্রো
  • মাইক্রোকম্পিউটারের আদর্শ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার হচ্ছে  – এক্সেস
  • কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয় – FORTRAN.
  • মাইক্রোসফ্ট একসেস ওপেন করার পর সংলাপ ঘরটিতে পাওয়া যাবে – তিনটি রেডিও বাটন
    ও একটি লিস্ট বক্স
  • এক্সেলের একটি স্প্রেডশিটের সাথে ডাটাবেজের কোনটির মিল আছে – টেবিল
  • মাইক্রোসফ্ট একসেস ডাটাবেজের পূর্বনির্ধারিত ছক নয় কোনটি –  Module.
  • মাইক্রোসফ্ট অফিস প্যাকেজের অংশ কোন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম – Access.
  • Access প্রোগ্রামে কত প্রকার ডাটা ইনপুট করা যায় – ১০ প্রকার
  • Text ধরনের ডাটা কোন ধরনের তথ্য – অক্ষর সংবলিত তথ্য
  • অক্ষর সংবলিত তথ্য কোন ধরনের ডাটা -টেক্সট
  • Address কোন ধরনের ডাটা টাইপ – Text.
  • নাম কোন ধরনের ডাটা – Text.
  • কোনো ব্যক্তির মাসিক আয় এর জন্য কোন ধরনের ডাটা ফিল্ড প্রয়োজন -Number.
  • Numberic কী ধরনের ফিল্ড -সংখ্যা
  • ’১০ জানুয়ারি’ কোন ধরনের ডাটা – Datetime.
  • ডাটাবেজে ‘জন্ম তারিখ’ কোন ধরনের ডাটা – সময় ও তারিখ
  • জন্ম-তারিখ হল একটি – ফিল্ড
  • মুদ্রা কোন ধরনের ডাটা – Currency.
  • Currency ধরনের ডাটা কী সম্পর্কে হয়ে থাকে – মুদ্রা সম্পর্কে
  • YesNo কোন ধরনের তথ্য – যুক্তিনির্ভর
  • কোন ধরনের ডাটা যুক্তিনির্ভর তথ্য – YesNo.
  • একটি তথ্যের সাথে অন্য তথ্যকে ইন্টারনেট ধরনের সম্পর্কযুক্ত করাকে কী বলে –Hyperlink.
  • ডাটাবেজ প্রোগ্রামের ফিল্ডের নামের বর্ণসংখ্যা কত হতে পারে – ৬৪টি
  • একটি ফিল্ডে কতটি বর্ণ হতে পারে ফিল্ড নাম সর্বোচ্চ কতটি বর্ণের হতে পারে
    ডাটাকে নির্ধারিত ফিল্ডের মাঝে সন্নিবেশিত করতে নাম থাকতে হয় এইসব ফিল্ডের নাম
    সর্বাধিক কত বর্ণ পর্যন্ত হতে পারে -৬৪টি
  • ক্লায়েন্ট সার্ভার হচ্ছে এক ধরনের – উন্নতমানের নেটওয়ার্ক
  • _______ কে বলা হয় সার্ভারের ক্লায়েন্ট – ওয়ার্কস্টেশন
  • ওয়ার্কস্টেশনকে সার্ভার প্রক্রিয়াকরণের কাজে সহায়তা করে এজন্য ওয়ার্কস্টেশনকে কী
    বলা হয় – সার্ভারের ক্লায়েন্ট
  • ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য কোন পদ্ধতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে – ক্লায়েন্ট সার্ভার পদ্ধতি
  • কেন্দ্রের সঙ্গে সার্বক্ষণিক তথ্য আদান প্রদানের জন্য কোন ডাটাবেজ
    প্রয়োজন – ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ
  • ডাটাবেজের অন্যতম আকর্ষণ কী – তথ্য অনুসন্ধান করা
  • ডাটাবেজ বিভিন্ন বিষয়কে অনুসন্ধান করার উপযোগ তৈরি করা হয় – ক্যুয়েরিতে
  • ডাটাবেজের একটি বিষয়কে নানাভাবে উপস্থাপন করা হয় কোনটিতে – রিপোর্ট
  • ক্যুয়েরি কী – ডাটাবেজের বিভিন্ন বিষয়কে অনুসন্ধান করার উপযোগ তৈরি করা
  • ডাটাবেজে বিভিন্ন বিষয়কে অনুসন্ধান করার উপযোগ তৈরি করা হয় – ক্যুরেরিতে
  • কুয়্যেরি দ্বারা কী কাজ করা হয়  -তথ্য অনুসন্ধান
  • ডাটাবেজ ফাইল হল – তথ্যের সমষ্টি
  • সহজে ডাটাবেজ তৈরির জন্য কী ব্যবহার করা যেতে পারে – উইজার্ড
  • ডাটাবেজে লজিক্যাল ফিল্ডের Width কত – ১
  • লজিক্যাল ফিল্ড সর্বোচ্চ – ১ অক্ষর হতে পারে

সবশেষে,

ইন্টারনেটের পরিধি যত বাড়ছে ,ব্যাবহারকারীর ডাটাও বহুগুন বেড়ে যাচ্ছে তাই ডাটা জমা রাখতে ডাটাবেসের দরকার পড়ছে আগামী দিনে হার্ডডিস্কএ ডাটা সেভ ছাড়াও অনলাইন ডাটাবেসের  এর চাহিদা খুবই  বৃদ্ধি পাবে

এর কারণ অনলাইন ক্লাউড কম্পিউটিং ডাটাবেসে ডাটা হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম হয়

পড়ুন – ক্লাউড কম্পিউটিং কি

Hey, I’m Priyabrata, a professional blogger & content writer by passion. A guy from the crowded streets of Bengal, who believes in everybody’s potential to win in life.

2 thoughts on “ডেটাবেজ কি বা কাকে বলে | Database Meaning in Bengali | Database Kake Bole”

  1. অনেক সহজ হয়েছে আমাদের বুঝতে, আশাকরি আরো নতুন নতুন তথ্য জানাবেন ধন্যবাদ।

    Reply

Leave a Comment