2021-এ ডিজিটাল মার্কেটিং কি | What is Digital Marketing in Bangla

Digital Marketing ” এই কথাটি আপনি ইন্টারনেটের জগতে শোনেননি হতেই পারেনা। একবার না একবার আপনি এই ” ডিজিটাল মার্কেটিং ” শব্দ দুটির কথা শুনেছেন।

মার্কেটিং এর জগতে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক গুরুত্ব পাচ্ছে । এই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটা কথা না বললেই নয়,

আপনি যদি মার্কেটিং এর জগতে থাকেন একটা টাইমে গিয়ে আপনাকে এটার বিষয়ে শিখতেই হবে। তাই আমার মতে সেটি সম্পর্কে যদি আগে থেকেই জানতে শুরু করেন অনেক ভালো হয়

তাই আজ আমরা Digital Marketing এর উপরে bangla তে একটি সহজ overview দিতে চেষ্টা করেছি

এই আর্টিকেলটি যেভাবে পড়লে বুঝতে পারবেন, এই আর্টিকেলে ৩টি পার্ট থাকছে –

প্রথম পার্ট – এখানে আপনি মূলত মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং এই নিয়ে একটি ধারনা দেব। যে যে টপিক থাকছে –

ডিজিটাল মার্কেটিং কি, ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার, ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন বা এর গুরুত্ব, কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায় এই নিয়ে সাধারন ধারনাগুলো

দ্বিতীয় পার্ট – এখানে মুলত digital marketing শেখার বিষয়টি থাকছে, যার মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স সম্পর্কিত ব্যাপারগুলো থাকছে

তৃতীয় পার্ট – এই অংশে digital marketing job ও অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার সম্পর্কিত বিষয় থাকছে

সূচিপত্র দেখুন

পার্ট ১


মার্কেটিং আসলে কি ?

যদি তথ্যের হিসাবে বলতে চাই তাহলে মার্কেটিং নিয়ে অনেক কিছু বলতে হয়, কিন্তু আমরা সেই জটিল ধারনায় না গিয়ে সহজ করে বুঝি ।

আমাদের কাছে মার্কেটিং কি ?

আমাদের কাছে সাধারণ ভাষায় মার্কেটিং মানে হল কোনো একটি পণ্যের বা কোনো জিনিসের বাজারজাত করণের জন্য অর্থাৎ কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর জন্য কিছু উপায়ের ব্যবহার যাতে ওই জিনিসটি বেশি বেশি কাস্টমারের কাছে পৌঁছায় এবং আমাদের বিক্রি ও মুনাফা অনেক ভালো হয়।

তাহলে আমরা বুঝতে পারছি যেকোনো মার্কেটিং-এর মুল উদ্দেশ্য বেশি বেশি কাস্টমারের কাছে পৌঁছানো ও একটি নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের বেশি বেশি বিক্রি

এই উদ্দেশ্যগুলো পুরনের জন্য আমরা দুই ধরনের মার্কেটিং করছি –

  • Traditional বা গতানুগতিক মার্কেটিং
  • ডিজিটাল বা অনলাইন বা ইন্টারনেট মার্কেটিং

ক. Traditional বা গতানুগতিক মার্কেটিং কি

এখন আমরা যদি একটু ভেবে দেখি অনেক কোম্পানি বিভিন্ন way তে কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে চাই, যার মধ্যে তারা যে যে কাজগুলো করে –  রাস্তায় পোস্টার দিয়ে বিজ্ঞাপন, টেলিভিশনের advertisement, খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন, রাস্তার উপর বড় বড় হোডীং ইত্যাদি ব্যবহার করে।

এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির থেকে representative হিসাবে আসা লোকজনের মাধ্যমে আমরা অনেক লোকের কাছে পৌঁছাতে চাই।

কিন্তু এই ধরনের গতানুগতিক মার্কেটিং এর ধারনা আস্তে আস্তে অনেক পুরনো হয়ে যাচ্ছে কারন –

  • Interest হীন অ্যাডের ব্যবহার – এই ধরনের মার্কেটিংএর অ্যাডগুলো চলমান বা কোনো বিশেষ ধরনের না হওয়ায় লোকেদের বেশি আকর্ষিত করেনা
  • দূরত্বের ব্যাপার থাকে – এই অ্যাডগুলো কিছুটা নিজের একটা স্থানকন্দ্রিক হয়ে থাকে যদি একটি অ্যাড কলকাতার মধ্যে দেখানো হয় তবে তার ব্যাবসাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোলকাতা কেন্দ্রিক হয় যাতে বাইরের লোকের বিক্রিতে বা কিনতে অসুবিধা হয়
  • অ্যাডগুলো One Way হয় – অর্থাৎ এই ধরনের অ্যাডে একজনই শুধুমাত্র কিছু বলে অপর প্রান্ত থেকে কোন  interaction করা যায় না
  • জিনিসটির ভালো খারাপ যাচাই করার সম্ভাবনা কম – এখানে যে সব জিনিসগুলো বিক্রি করা হয় কাস্টমারের সেগুলো যাচাই করার বা customer review দেখার সুযোগ কম থাকে ফলে ঠকে যাওয়ার সুযোগ থাকে
  • প্রতি জন পিছু অ্যাডের খরচ বেশি – এই ধরনের মার্কেটিংয়ে এক একজন লোকের পিছনে অ্যাড দেখাতে অনেকটাই বেশি খরচ করতে হয়

এই সমস্ত বহু কারণে আস্তে আস্তে গতানুগতিক বা traditional marketing অনেকটাই বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে।

খ. ডিজিটাল বা অনলাইন বা ইন্টারনেট মার্কেটিং কি (What is Digital Marketing in Bangla)

Digital Marketing বা Online Marketing বা Internet Marketing তিনটি কথার মানে প্রায় একই

বর্তমানে বেশিরভাগ লোকজনই অধিকাংশ সময় মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে কাটায়। সুতরাং এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে অ্যাডের মাধ্যমে তাদের প্রোডাক্ট লোকের কাছে পৌঁছানো অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে।

এই জায়গা থেকেই traditional marketing ছেড়ে Digital Marketing অনেক বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে

Digital Marketing হল নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে এবং নির্দিষ্ট একটি জিনিস বিক্রির জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মের সাহায্য নিয়ে কম খরচে বেশি বেশি গ্রাহকের কাছে নিজের বিজ্ঞাপন দেখানো এবং সেখান থেকে মুনাফা লাভের একটি পদ্ধতি।

ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য আমরা বিভিন্ন জনপ্রিয় digital platform যেখানে user এর সংখ্যা অনেক বেশি বেশি থাকে যেমন – Google, Facebook, Youtube, Email, Instagram, Bing প্রভৃতি জায়গায় interesting ও তথ্যবহুল বিজ্ঞাপন দেখানো হয়ে থাকে।

এই প্রত্যেকটি platform-এ ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য আলাদা আলাদা পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার

ডিজিটাল মার্কেটিং কি | What is Digital Marketing in Bangla

বিভিন্ন প্রকার ডিজিটাল মার্কেটিং

কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে এবং বিভিন্ন marketing strategy র উপর করে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক প্রকার হতে পারে।

Search Engine Optimization (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা SEO হল ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি বড় হাতিয়ার। Search Engine Optimization সেই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা ধারনা নেওয়া যাক।

আপনাকে যদি প্রশ্ন করি Search Engine কি ? আপনি এই ব্যাপারে হালকা কিছুও জানেন আপনার মনে যে উত্তরটি আসবে তা হল গুগল, আসলে সার্চ ইঞ্জিন হল যেখানে আমরা সার্চ করি এবং কিছু রেজাল্ট পায়। যেমন – গুগল সার্চ থেকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লেখা পড়তে পারি, ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখতে পারি, আবার আরও কিছু Search Engine আছে,  যেমন- Bing, Yahoo, Baidu, DuckDuckGo ইত্যাদি

এখন এতো কিছু বোঝানোর কি দরকার ? দরকার রয়েছে আসলে Search Engine Optimization জানতে গেলে Search Engine নিয়ে জানা দরকার।

এখন যদি আমি গুগলে সার্চ করি ” ডিজিটাল মার্কেটিং কি ” গুগল কিন্তু আপনাকে সবচেয়ে ভালো লেখাগুলো পর পর উপর থেকে দেখাতে শুরু করবে, এবং যে ওয়েবসাইটে সবচেয়ে বেস্ট আর্টিকেলটি পাবে সেটিকে একদম উপরে রাখবে

এখন গুগল কি করে বুঝল ওখানেই সবচেয়ে ভালো লেখাটি আছে বাকীটিতে নেই ? এইখানেই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের প্রয়োজন। আমরা যারা ব্লগিং, Digital Marketing  এর সাথে যুক্ত রয়েছি তারা, বিভিন্ন উপায়ে আমাদের কন্টেন্টকে গুগল সার্চ রেজাল্টে আসার কাজ করে থাকি যেমন – Title Optimization, Image Optimization, Proper Listing এরকম বিভিন্ন উপায়ে আমরা গুগলকে জানায় আমাদের কনটেন্টের ব্যাপারে খুব ভালোভাবে যাতে সে বুঝতে পারে

এখন সবার কন্টেন্ট একই হয়না, কেউ খাবারের রেসিপি নিয়ে জানান, কেউ বা পড়াশোনা নিয়ে জানান, আবার কেউ ব্যবসা করেন অনলাইনে, সুতরাং সবাইকেই তাদের জিনিসকে গুগল সার্চের উপযোগী করতে অর্থাৎ সার্চ করলেই যেন আমার জিনিসটি প্রথমে আসে এই ব্যাপারটিকে করতেই হয়, যাতে বেশি লোকের কাছে পৌছায়। এই Search Engine Optimization যারা করে তাদের SEO Expert বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিঙের ভাষায় ।

এই কাজটি কেউ নিয়ম মেনে করলে তাদের White Hat SEO, আবার গুগলের নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে করলে Black Hat SEO বলে

Search Engine মার্কেটিং

আপনাকে Search Engine Optimization সম্পর্কে জানালাম, কিভাবে সেটি কাজ করে। এখানে এই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হয় সম্পূর্ণ ফ্রীতে এর জন্য আপনাকে কোনো টাকা দিতে হয়না। কিন্তু Search Engine মার্কেটিং ব্যাপারটি হল paid। এর জন্য আপনাকে গুগলকে বিজ্ঞাপন দেখানোর টাকা দিতে হয়

আসলে এটি যেভাবে কাজ করে তা হল – কোনো একটি প্রোডাক্টকে গুগল সার্চ রেজাল্টে সবচেয়ে উপরে দেখানোর জন্য গুগলকে কিছু টাকা দিতে হয়। বিজ্ঞাপন দেখানোর এই পুরো ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রন করা হয় Google Adwords এর মাধ্যমে। এখানে গুগলকে অ্যাড দেখানোর নির্দিষ্ট টাকা দিতে হয়

এখানে নির্দিষ্ট keyword এর উপর সার্চের পরিমান, কম্পিটিশন এরকম বহু কিছু প্যারামিটার দেখে অ্যাড সেট করা হয়

Email Marketing

এটি ডিজিটাল মার্কেটিং করার আরও একটি বড় উপায়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন ব্যক্তির তাদের ইন্টারেস্ট অনুযায়ী ইমেল খুঁজে বের করা হয় এবং তাদেরকে মেইল করে করে প্রোডাক্টের ব্যাপারে জানাতে হয় । এইখানে Email collection,Email template, Email Delivery প্রভৃতি টার্মও রয়েছে পদ্ধতি অনুযায়ী।

Email template এর উপরেই থাকে মুল খেলা, কারন এটাই আপনাকে আপনার শব্দ দিয়ে কাস্টমারকে আপনার প্রোডাক্টের ব্যাপারে রাজি করাতে হবে, যাতে সে আপনার প্রোডাক্টটি কিনতে আগ্রহী হয়। আপনি যদি সেরা ভাবে ইমেলটি লিখতে পারেন আপনার conversion rate ও বাড়বে । এটি আসলে কিভাবে কাজ করে একটি উদাহরণ দেওয়া যাক

ধরুন – আমরা কলকাতার মধ্যে যারা ওয়েবসাইট বানাতে ইচ্ছুক তাদের একটি ইমেল লিস্ট খুঁজে বের করা হল বিভিন্ন টুলের সাহায্যে, এখন সেই সব ব্যক্তিকে যদি আমি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মেইল করে করে আমার প্রোডাক্টের ব্যাপারে জানায়, সে প্রাথমিক অবস্থায় না কিনলেও একটা সময় সে একবার হলেও জানার চেষ্টা করবে আমার প্রোডাক্ট নিয়ে, এবং তার পছন্দ হলে কিনতে পারে। এই পদ্ধতিটি অসংখ্য ব্যাক্তির উপর করা হয় একসাথে, এতে প্রোডাক্ট বিক্রির সম্ভবনা অনেক বেড়ে যায়।

Content Marketing

আপনার কাছে যদি জানতে চাওয়া হয় ডিজিটাল কন্টেন্ট কি কি হতে পারে ? তাহলে এর সম্ভাব্য উত্তর কি হবে ?

এর সম্ভাব্য উত্তর হতে পারে ভিডিও কন্টেন্ট, অডিও কন্টেন্ট, আর্টিকেল ইত্যাদি। এই বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্টগুলোর ব্যাপারে কিছুটা ধারনা নেওয়া যাক

a. ব্লগ আর্টিকেল

এক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেখার মাধ্যমে নিজের প্রোডাক্টের ব্যাপারে কাস্টমারকে জানাতে পারি

b. ভিডিও কন্টেন্ট

ইউটিউব সহ যে সমস্ত ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে , আমরা নিজের প্রোডাক্টের ব্যাপারে মার্কেটিং করতে পারি ভিডিও বানিয়ে

c. অডিও কন্টেন্ট

Audio Content ব্যাপারটি আমাদের দেশে কম জনপ্রিয় হলেও বিদেশে এই ব্যাপারটি অনেক জনপ্রিয়, Spotify, Google Podcast প্রভৃতি প্ল্যাটফর্মে পডকাস্ট বা অডিও প্রকাশ করে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়

d. Free Ebook marketing

কোনো জিনিস Free কথাটি শুনলেই মানুষের মধ্যে একটি অন্য আগ্রহ কাজ করে। আসলে কিন্তু কোনো জিনিস সম্পূর্ণ ফ্রি হয়না, তার পিছনে কোনো কারন থাকেই থাকে। কেউ যদি ফ্রিতে ইবুক দেয়, তাহলে সে ইবুকের ভেতরে তার প্রোডাক্টটি বিক্রির ব্যাপারে জানাতে এবং বিক্রি করতে অবশ্যই পারবে এই ভাবে ডিজিটাল Free Ebook marketing করে

e. Free Course marketing

Free Ebook marketing এর মতোই Free Course marketing ও একই। এখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তি তার নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট কেনার কথা অবশ্যই বলে থাকে তার কাস্টমারকে

Affiliate Marketing

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও এক ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং। এটি একটি কমিশন ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং । এটি একটি অন্যের প্রোডাক্টকে promote করে লাভ করার প্রক্রিয়া

ধরুন – আপনি অ্যামাজনের affiliate marketing program এর সাথে যুক্ত হলেন। আপনি অ্যামাজনের একটি নির্দিষ্ট জিনিস (ধরুন – ফোন ) promote করতে চাইলেন। এর জন্য আপনাকে তারা ওই প্রোডাক্টের নির্দিষ্ট লিঙ্ক তৈরি করে দেয়। আপনি ওই ফোনটির ব্যাপারে বিভিন্ন প্রকার কন্টেন্ট তৈরি করে যেমন ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে, ব্লগে লিখে তাদের দেওয়া লিঙ্কটি করতে পারেন।

এরপর কোনো ব্যাক্তি ওই লিঙ্কে গিয়ে ক্লিক করে কিছু জিনিস কেনে অ্যামাজন থেকে, তাহলে কেনা জিনিসটির দাম অনুযায়ী আপনাকে একটি কমিশন দেওয়া হবে কিন্তু এর জন্য কাস্টমারকে এক্সট্রা টাকা দিতে হয়না । এইভাবেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করে। এটিকে অনেকে paid পদ্ধতিতেও করে থাকে

বিভিন্ন প্রকার affiliate marketing program রয়েছে যেমন amazon affiliate marketing program, clickbank affiliate marketing program ইত্যাদি

সিপিএ মার্কেটিং এক ধরনের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেখান থেকে ভালো পরিমানে আয় করা যায়

পড়ুন – সিপিএ মার্কেটিং কি এবং কিভাবে করে

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

বর্তমানে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমরা একজন অন্যজনের সঙ্গে বা একজন অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার্থে এই মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া user base অনেক বেশি বলে, এটিকে মার্কেটিংএর কাজে লাগানো যায়

Facebook, Twitter, Instagram ইত্যাদি থেকেও ডিজিটাল মার্কেটিং করে ভালো পরিমানে ইনকাম করা যায় । Social Media Merketing কে সংক্ষেপে SMM বলা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং দুই প্রকার হয়ে থাকে

A. Paid Social Media Marketing

এখানে Facebook ad service ব্যাবহার করে আপনার প্রোডাক্টটি আগ্রহী ব্যাক্তির সামনে রাখা হয়, যাতে সে কিনতে আগ্রহী হয়। এর জন্য একটি ফেসবুক পেজের দরকার হয়

B. Free Social Media Marketing

বিভিন্ন পাবলিক গ্রুপ ও পাবলিক পেজে পোস্ট অথবা কমেন্ট এর মাধ্যমে ইউজার বেস তৈরি করে প্রোডাক্ট promote করে ইনকাম করা যায়। তবে এই পদ্ধতিতে অনেক ধৈর্যের দরকার হয়

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন রকম হয়। যেমন – ফেসবুক মার্কেটিং, Instagram marketing, Quora marketing, LinkedIn marketing ইত্যাদি

ভাইরাল মার্কেটিং

বর্তমানে কখন কি ভাইরাল হয়ে যায় তার হিসেব নেই। তাই এ যুগকে ভাইরাল যুগও বলা চলে। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন কিছু ক্ষেত্রে জেনে শুনে ভাইরাল করানো হয়

যেকোনো সেক্টরেই ভাইরাল মার্কেটিং ও কনটেন্টের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ভাইরাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ছবি বা লেখাকে প্রোমোট করতে কিছু ক্ষেত্রে খুব বেশি খাটতে হয়না। কারন মানুষ নিজেই আপনার কনটেন্টটি ছড়িয়ে দেবে সমস্ত জায়গায়

এই সব কন্টেন্ট প্রকাশ করার পর তা কেমন চলছে তারও রিসার্চ করা যায়, কারন বেশিরভাগ সোশ্যাল সাইটে media insight বা analytics রয়েছে চেক করার জন্য

কন্টেন্ট কেমন পারফর্ম করছে সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যায়

মিমস মার্কেটিং

বর্তমানে memes ফেসবুকে খুবই জনপ্রিয় একটি কন্টেন্ট। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে মিমসও ফ্রিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশ হয়ে ওঠে ।

কিছু ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট oriented মিমস জনপ্রিয় করে তোলা হয় প্রোডাক্ট এর বিক্রি বাড়াতে বা যে কোনো ব্র্যান্ডকে promote করার জন্য

যেমন – ভারতে একটি অনলাইন ব্রান্ড রয়েছে Bewakoof.com যা, প্রাথমিক অবস্থায় মিমস মার্কেটিং করেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল । এছাড়া কলকাতার একটি ফেসবুক পেজ The Kolkata Buzz কিছু ক্ষেত্রে এরকম মার্কেটিং করে চলেছে

Emotional Marketing 

আমরা সকলেই ইমোশনকে প্রাধান্য দিই। আমাদের এই ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিংএর কাজে লাগানো হয়ে থাকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে

Negative Marketing

এটিও ব্যাবহার করা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে। নেগেটিভ জিনিস মানুষকে অনেক বেশি আকর্ষণ করে।

এটি কিভাবে কাজ করে বোঝানোর জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন আমি একটি ” ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স ” তৈরি করলাম এবং তার নাম দিলাম” banglateinfo digital marketing course ” এবং তার দাম কিছু টাকা রাখা হল।

এখন ইন্টারনেটে সবাই কোনো জিনিস কিনতে চাইলে সেটিকে আগে রিভিউ করে দেখে। এখন আপনি কিছু কিওয়ার্ড সার্চ করলেন Banglateinfo digiatal marketing course review, Banglateinfo digiatal marketing course expose এরকম

এখন কেউ যদি এখানে আমার কোর্স সম্পর্কে একটি ভিডিও বানালো এবং ভিডিওর thumbnail এর উপর লিখল ” জানুন banglateinfo digital marketing course কিভাবে আপনার টাকা লুটছে ”  বা ” banglateinfo digital marketing course ফেক কেন ” । এবার আপনি পুরো ভিডিওটি শেষ অবধি দেখলেন এবং আপনাকে কোর্সটি কেনার জন্য ভালো রিভিও দেওয়া হল মানে ভেতরে বলা হল কোর্সটি খুব ভালো কিনে ফেলুন।

এই পুরো ব্যাপারটি হচ্ছে Negative Marketing , আপনার negative sense কে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করা, আপনি যখন কিছুর খারাপ দিক খুঁজতে যাবেন সেটিকে কাজে লাগিয়ে নিজের মার্কেটিং করা নেগেটিভ মার্কেটিং এর মধ্যে পড়ে

এছাড়া আরও বিভিন্ন রকম মার্কেটিং রয়েছে, যেমন – মোবাইল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন বা এর গুরুত্ব

  • খরচ অনেক কম – ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য পুরনো মার্কেটিং ধারনার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে আপনার খরচ কম হবে কারন খুব কম লোকই এই ধারনার উপর কাজ করছে বর্তমানে
  • International Customer targeting – এক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে International Customer  ধরতে পারবেন কারন এটি কোনো গণ্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় তাই ব্যবসাকে International করার সুযোগ রয়েছে
  • একটা সময়ে শিফট করতেই হবে – আরও কিছু বছর গেলে Traditional বা গতানুগতিক মার্কেটিং করার ব্যাপারটি অনেক বেশি কমে যাবে কারন এখন সমস্ত কিছুই ইন্টারনেট কেন্দ্রিক হয়ে উঠছে, তাই একটা সময় আপনাকে ব্যবসা ইন্টারনেট কেন্দ্রিক করতে হবেই
  • কাস্টমারকে ট্র্যাক করা যায় – ডিজিটাল মার্কেটিং দিয়ে কাস্টমারকে ট্র্যাক করা যায়। তার ইমেল, ফোন নং ইত্যাদি ডাটা দিয়ে তাকে ট্র্যাক করা খুব সহজ
  • অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য – এক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট বা ব্যাবসা যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়, তাহলে কাস্টমারের কাছে অনেক বেশি ভালো ফল করবে, সে পরবর্তী জিনিস কেনার আগে আপনার কথা একবার হলেও ভাববে, সে তার বন্ধুমহলে জিনিসটি ফ্রিতেই প্রমোট করবে
  • Growing Stage – এটা বর্তমানে growing stage-এ রয়েছে। যেকোনো জিনিসই growing stage থেকে শুরু করতে পারলে saturated stage এ অনেক সুবিধা লাভ করা যায়, আর অভিজ্ঞতা থাকলে ডিম্যান্ডও অনেক বাড়ে

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা

  • কনভার্সন রেট বেশি – এখানে একটি বড় ফ্যাক্টর হল interest based target, যেটি ডিজিটাল মার্কেটিঙের বড় অস্ত্র। আপনি যদি সেই সব কাস্টমারের কাছে অ্যাড দেখান যারা ওই সম্পর্কিত জিনিস পছন্দ করে। তাহলে কেনার চান্স বেড়ে যায় ফলে conversion rate বাড়বে, আপনাকে যাদের ইন্টারেস্ট নেই তাদের অ্যাড দেখানোর টাকাও বেঁচে যাবে
  • সবার হাতে মোবাইল –  এখন বর্তমানে সবার হাতেই মোবাইল তাই আপনার প্রোডাক্ট যাচাই করে তারা কিনতে পারে, এছাড়া আপনার প্রোডাক্ট জনপ্রিয় হলে তার রিভিউ ও চেক করার সুযোগ রয়েছে, যা বিশ্বাসের একটি বড় কারন
  • মার্কেট পারফরম্যান্স – এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে আপনি বুঝতে পারবেন পরবর্তী মার্কেট কেমন হতে পারে কারন ডাটা আপনার হাতে, এছাড়া মার্কেট অ্যানালাইসিস করার সুযোগ থাকে, যেটা পুরনো মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে থাকেনা বললেই চলে
  • অনেক তাড়াতাড়ি পৌঁছানো যায় – গতানুগতিক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এর বড় একটি সুবিধা হল আপনি খুব তাড়াতাড়ি সাফল্য লাভ করতে পারবেন এবং আপনি কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে পারবেন আপনার জিনিস নিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে
  • চটকদার, প্রলুব্ধ করে এমন অ্যাড দেওয়া যায় – ডিজিটাল মার্কেটিংএ বিভিন্ন রকম উপায়ে চটকদার, প্রলুব্ধ করে এমন অ্যাড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটা কাস্টমারকে অনেক বেশি আকর্ষণ করে

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে গেলে আগে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং খুব ভালো করে শিখতে হবে কারন digital marketing সব ক্ষেত্রে একই রকম কাজ করেনা, সব ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা পদ্ধতি হয়। যেমন – আপনি যদি ইমেল মার্কেটিং করেন তাহলে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে পারবেন না, সেটিকে আবার আলাদা করে আপনাকে শিখতে হবে। তাই আগে ভালোভাবে সার্চ করে যেটিতে আপনার ইন্টারেস্ট রয়েছে সেটিকে প্রথম শিখতে শুরু করুন

এছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য নিচে কিছু কোর্স এর ব্যাপারে ধারনা দেওয়া হয়েছে

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য জরুরী টুল

  • Buffer (বাফার) – সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টগুলি একসাথে ম্যানেজ করার জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টুল।
  • ক্যানভা (Canva) – ক্যানভার সাহায্যে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ব্লগ পোস্ট ,ইনফোগ্রাফিক সহজে তৈরি করা যায়, এখানে অনেক ভালো ভালো টেম্পলেট রয়েছে
  • গুগল এনালাইটিক্স – গুগল এনালিটিক্স একটি web analytics tool, এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন রকমের ওয়েব পারফর্মেন্স এর ব্যাপারে জানতে পারবেন
  • গুগল অপটিমাইজ – এটির মাধ্যমে AB টেস্টিং করে ভিসিটরের এক্সপেরিয়েন্স জানা যায়
  • গুগল ট্রেন্ড – বর্তমানে কোন টপিক ট্রেন্ডিংয়ে আছে এই ব্যাপারে জানা যায়
  • Google Adwords – এর মাধ্যমে গুগলে বিজ্ঞাপন দেখানো যায় ও তার ফলাফল জানা যায়
  • Bing Ads – এটিও Google Adwords এর মতোই অ্যাড সার্ভিস যেটা মাইক্রোসফট বিং আপনাকে দিয়ে থাকে
  • Facebook Ad service – এটি ফেসবুকে অ্যাড চালানোর অ্যাড সার্ভিস,এটি দিয়ে যেকোনো পেজের অ্যাড দেখানো যায় টাকার বিনিময়ে
  • Google Keyword Planner – এর মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা কিওয়ার্ড কত পরিমানে লোক সার্চ করছে জানা যায়
  • Google SERP Chrome Extension  – গুগলে ওয়েবসাইটে ranking চেক করা যায়
  • মাইক্রোসফট ক্লারিটি – এর মাধ্যমে যেকোনো সাইটের ইউসার এক্সপেরিন্স যাচাই করা যায়
  • পেনগুইন টুল – এটি google algorithm আপনার website এর উপর ভালো খারাপ কোনোরুপ প্রভাব ফেলেছে কিনা, জানা যায়

এছাড়া আরও অনেক টুল রয়েছে যেগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজে লাগে


পার্ট ২


ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব বা শেখার উপায়

১. ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

ফ্রি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স (Free Digital Marketing Course in Bengali)

a. Google Digital Garage 

গুগল ডিজিটাল গ্যারেজ হলো (Google Digital Garage) গুগলেরই একটি Free E-Learning Platform এই প্ল্যাটফর্মে মূলত তিনটে Category রয়েছে

  • Data and Technology
  • Digital Marketing
  • Carrier Development

এই তিনটে Categoryতে বিভিন্ন ধরনের কোর্স রয়েছে। এখান থেকে আপনি গুগলের Professional Digital Marketing Course করতে পারবেন এই কোর্সের অন্যতম হল Fundamental Course Of Digital Marketing (ফান্ডামেন্টাল অফ ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স) এটি আপনাকে খুব ভালোভাবে করতে হবে কারণ এখানে গুগল আপনাকে Digital Marketingএর উপর ফ্রি সার্টিফিকেট দেবে, যা জব সহ বহু কাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ

b. Skilshare Digital marketing Course

Skilshare একটি জনপ্রিয় online learning platform। এখানে ডিজিটাল মার্কেটিংএর উপর ৩০ টি কোর্স রয়েছে যা সম্পূর্ণ ফ্রি

c. Inbound Marketing Free Certification Course

এটি লিঙ্কডিনের একটি ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কোর্স

d. Hubspot Digital Marketing Course

Hubspot Digital Academy এই কোর্সটি খুবই জনপ্রিয় একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

e. Copyblogger Online Marketing Course

এই কোর্সটির পিছনে রয়েছে Brian Clark  যিনি WordPress এর জনপ্রিয় Genesis framework তৈরি করেছেন তিনি এই ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সটি পরিচালনা করেন

এছাড়া আরও কিছু কোর্স হল –

  • SEMRUSH একাডেমী ফ্রী সার্টিফিকেশন
  • গুগল এনালিটিক্স একাডেমিতে ফ্রী কোর্স
  • গুগল স্কিলসপ
  • অপ্টিন মনস্টার মার্কেটিং ট্রেনিং ফ্রি
  • ক্লিকমাইন্ডেড ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স
  • বিং এডস সার্টিফিকেশন

পেড ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

এখানে আমি কিছু পেইড মার্কেটিং কোর্সের লিস্ট দিলাম

  • Udemy Digital Marketing Course (Paid with Certification)
  • Udacity Digital Marketing Course (Paid with Certification)
  • Simplilearn Digital Marketing Specialist (Paid with Certification)
  • WSCUBE TECH

২. ইউটিউব থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং

এছাড়া আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কিছু ইউটিউব চ্যানেল দেখতে পারেন

  • Neil Patel
  • Digital Marketing Institute – Youtube Channel
  • Moz Youtube Channel
  • WSCUBE TECH
  • JON LOOMER
  • SEMRush

৩. ব্লগ

এছাড়া আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ফলো করতে পারেন, যেমন –

  • smartBlogger.com
  • copyblogger.com
  • neilpatel.com
  • blog.hubspot.com
  • moz.com/blog
  • cognitiveseo.com/blog
  • wordtracker.com/blog
  • yoast.com/seo-blog
  • crazyegg.com/blog
  • backlinko.com/blog
  • buffer.com/resources
  • socialmediaexaminer.com
  • seobook.com/blog

পার্ট ৩


ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার

১. ডিজিটাল মার্কেটিং জব

ডিজিটাল মার্কেটিং এর জবের ক্ষেত্রটিও খুবই বড়, এখানে আপনাকে সবগুলো ব্যাপারে কম বেশি না জেনে একটি ব্যাপারে এক্সপার্ট হতে হবে

যে সমস্ত ওয়েবসাইট থেকে আপনি কাজ খুঁজতে পারেন সেগুলো হল

  • Naukri – ডিজিটাল মার্কেটিং জব 
  • LinedIn – ডিজিটাল মার্কেটিং জব (Bangladesh)
  • LinkedIn – ডিজিটাল মার্কেটিং জব ( India )
  • CarrierJet – ডিজিটাল মার্কেটিং জব (Bangladesh)

কোনো কোম্পানি ছাড়াও আপনি নিজে স্বাধীন ভাবে কাজ করতেন পারেন ।এছাড়া আরও একটি বড় ক্ষেত্র রয়েছে ফ্রিলান্সিং করা, ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ফ্রিলান্সিং করে আপনি রোজগার করতে পারবেন বাড়িতে বসে

  • ফ্রিলান্সার – Digital marketing job 
  • UpWork –  Digital marketing job

২. ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি

এখানে আপনি একটি কোম্পানিতে বিভিন্ন পোস্টে কাজ করতে পারেন, এখানে আমি বিভিন্ন টাইপের উপর জবের পোস্টের লিস্ট দিয়েছি

Product Marketing এর কাজে

  • Product Marketing Specialist
  • Product Marketing Manager
  • Director of Product Marketing

Content Marketing এর কাজে

  • Content Marketing Specialist
  • Content Marketing Manager

Social Media Marketing এর কাজ

  • Social Media Coordinator/Specialist
  • Social Media Manager
  • Social Media Influencer

SEO কাজ

  • SEO Specialist
  • SEO Manager

৩. ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয়

ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করা সম্ভব এবং খুব ভালভাবেই। কিন্তু আপনাকে কোনো একটি বিষয়ে স্পেশালিষ্ট হতে হবে সবগুলো টাইপের উপর কাজ না করে। শেখার পর আপনাকে কিন্তু কেউ কাজ দেবেনা আপনাকে প্রাথমিক অবস্থায় নিজেকে কাজ খুঁজতে হবে। বিভিন্ন উপায়ে ওয়েবসাইটে গিয়ে, ইমেল করে আপনাকে কাজ খুঁজতে হবে। কিন্তু আসতে আসতে কাজ করতে শুরু করলে আপনার ক্যারিয়ার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী অবশ্যই হবে

আয়ের কথা বলতে গেলে আপনার জীবন চালানোর মতো খুবই ভালো পরিমানে উপার্জন করতে পারবেন

৪. ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকলে আপনি নিজেই আইডিয়া করতে পারছেন এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কিরকম। আসতে আসতে সব কোম্পানিই ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের প্রচার বাড়াচ্ছে

সুতরাং তারা যখন এই ব্যাপারে ভাবছে, নিশ্চয় এই digital marketing এ অনেক বেশি potential রয়েছে। সুতরাং আপনি যেমন তাদের কোম্পানিতে কাজ পেতে পারেন সেরকম আপনি নিজে স্বাধীনভাবে নিজের জন্য কাজ করতে পারেন, এছাড়া ফ্রিলান্সিং ওয়েবসাইটও রয়েছে কাজ করার জন্য


পার্ট ৪


ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর

সবচেয়ে ভালো ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স কোনটি ?

নিজে সার্চ করে শেখার থেকে বড় কিছু হয়না, তবে গুগল গ্যারেজ কোর্সটি অনেক ভালো

ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিছু ভালো ফেসবুক গ্রুপের নাম কী?

এরকম কিছু গ্রুপ হল Digital Marketing Farm Bangladesh, Advance IT Center

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে ?

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কোনো শেষ নেই একটি বিষয়ে শুরু করে আপনি অ্যাডভানস লেভেলে যেতে পারেন, সাধারণত ৬ মাস থেকে ১ বছর লাগে

ডিজিটাল মার্কেটিং এ আয় কেমন ?

ভালো ভাবে অভিজ্ঞতা লাভ করলে অনেক বেশি আয় করা যায়, প্রতিমাসে ৫০ হাজার কোনো ব্যাপারই না

কারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারেন ?

যাদের অনলাইনে আগ্রহ রয়েছে। টেকনোলজি নিয়ে কম বেশি জানেন

নিজে নিজে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা কি সম্ভব ?

সবচেয়ে ভালো উপায় ইউটিউবে টপিক সার্চ করে শিখুন

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার জন্য ভালো বই কি কি ?

এই সম্পর্কিত বাংলা বই - ডিজিটাল মার্কেটিং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও মার্কেটিং, সৃজনশীল ও কার্যকর বিক্রয় কৌশল, সবার উপরে বিক্রি সত্য

সবশেষে,

আজ আমরা জেনে নিলাম –  ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে বিশদে

এই আর্টিকেলে আমরা যে যে বিষয়ে কথা বলেছি – ডিজিটাল বা অনলাইন বা ইন্টারনেট মার্কেটিং কি (What is Digital Marketing in Bangla), কত প্রকার, কেন করবেন বা এর গুরুত্ব, এর সুবিধা, কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়, ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব বা শেখার উপায়, ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স, ডিজিটাল মার্কেটিং জব, এর ভবিষ্যৎ এই সবকিছু নিয়ে একটি সচ্ছল ধারনা দিতে আমি চেষ্টা করেছি

আরও কিছু জানার জন্য নিচে জানাতে ভুলবেন না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *