ওয়ার্ড প্রসেসর কি, সুবিধা,নতুন ফাইল খোলা

ওয়ার্ড প্রসেসর কি, সুবিধা, নতুন ফাইল খোলা


বর্তমানের ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে ওয়ার্ড প্রসেসিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়েছে। এখন আমরাও প্রায়শই word processing এর কাজে যুক্ত হয়ে রয়েছি। সুতরাং ওয়ার্ড প্রসেসর নিয়ে জেনে নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমরা জানব ওয়ার্ড প্রসেসর আসলে কি , ওয়ার্ড প্রসেসর কি ধরনের সফটওয়্যার, এর কাজ কি, ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, সুবিধা, বৈশিষ্ট্য কি কি?

আমাদের সাধারণ ধারণা অনুযায়ী আমরা জানি, যে বস্তু কোন কাজকে প্রসেস করে তাকে বলা হয় প্রসেসর, এখন সেই ধারণা অনুযায়ী ভাবলে ওয়ার্ড বা শব্দকে প্রসেসিং করার পদ্ধতি হল ওয়ার্ড প্রসেসিং।

এখন ওয়ার্ড প্রসেসিং আসলে কি থেকে কিসের প্রসেসিং? এখানে ওয়ার্ড প্রসেসিং বলতে মূলত ডিজিটাল মাধ্যমে শব্দ বা লেটার টাইপিং, তাদেরকে স্টোর করা এবং শেষে প্রিন্ট করার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমরা কিসে করে থাকি?

সেগুলো আমরা কোন ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করে থাকি, সুতরাং ওয়ার্ড প্রসেসর কাকে বলে?

ওয়ার্ড প্রসেসর কি?

ওয়ার্ড প্রসেসর কি

যে সফটওয়্যার যেকোনো টাইপ করা ডকুমেন্টস এডিট জমা প্রিন্ট এ সমস্ত কাজ করে তাদেরকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।

এখনকার দিনে দাঁড়িয়ে আমাদের মোবাইল বা কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার খুবই  সাধারন একটি ব্যাপার।

আমরা ওয়ার্ড প্রসেসিং জন্য সবচেয়ে বেশি যেটা ব্যবহার করি তা হল মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, যা পৃথিবীর অন্যতম একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর।

এখন ওয়ার্ড প্রসেসর বিভিন্ন ফাইল আপনাকে ডকুমেন্ট তৈরি করে দিতে পারে, আপনি টেক্সট ফাইল তো পাবেনই সাথে আপনি অন্যান্য বহু ফাইল যেমন .pdf, .html, .xml, .doc প্রভৃতি বহু format-র file আপনার দরকার অনুযায়ী word processor থেকে আউটপুট হিসেবে পেতে পারেন।

ওয়ার্ড প্রসেসরের বৈশিষ্ট্য

ওয়ার্ড প্রসেসর বিভিন্ন ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।যেমন –

  • টেক্স এর কাজে – ফন্ট পরিবর্তন ,লেখার রং পরিবর্তন ,লেখার সাইজ পরিবর্তন।
  • মাল্টি মিডিয়ার কাজে – এর মাধ্যমে লেখায় ছবি ভিডিও যোগ করা যায়
  • বানান সংশোধন ও গ্রামার চেক – এর মাধ্যমে লেখায় বানান ঠিক করা যায় ও গ্রামার ঠিক করা যায়
  • ডাটা যোগ – এর মাধ্যমে আপনি পূর্বের ডাটা import করে নতুন ফাইলে যোগ করতে পারেন
  • Marge – এর মাধ্যমে আপনি অনেক ফাইল একত্রে marge করতে পারেন
  • ফাইল ফরম্যাট – এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ফরম্যাটের ফাইল যেমন- .pdf, .html, .xml, .doc  খুব সহজে তৈরি করতে পারবেন।

ওয়ার্ড প্রসেসরের সুবিধা

  • Quality -ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করলে যেহেতু লেখায় বানান ভুল গ্রামার ভুল সবই চেক করা যায় তাই এর মাধ্যমে কোয়ালিটি সম্পন্ন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন লেখা তৈরি করা যায়।
  • টাইম সেভিং – ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে একই ডকুমেন্ট এর হাজারো কপি বানানো যায় যা অনেক টাইম বাঁচিয়ে ফেলে।
  • সেভ করে রাখা – ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে ফাইল সেভ করে রাখা যায় যা ভবিষ্যতে দরকার পড়লে যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়
  • সিকিউরিটি – গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে আমরা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারি ফলে ওই সব ফাইলগুলো অনেকটা নিরাপদে রাখা যায়।

ওয়ার্ড প্রসেসর সফটওয়্যার তালিকা

ওয়ার্ড প্রসেসিং এর সাথে যুক্ত বিভিন্ন ওয়ার্ড প্রসেসর সফটওয়্যারগুলি হল –

  • MS Word
  • Google Doc
  • LibreOffice
  • FreeOffice
  • WPS Office
  • Calligra
  • OfficeSuite
  • Polaris Office
  • OnlyOffice
  • WordPerfect
  • Zoho Workplace
  • Google Workplace

ওয়ার্ড প্রসেসরের ব্যবহার

ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে –

  • ব্যাবসায় ক্যাশ মেমো হিসাবে
  • লেটার বা চিঠি লেখার কাজে
  • অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট তৈরিতে
  • আইনি কপি তৈরিতে

বাড়িতে –

  • বিভিন্ন তালিকা তৈরিতে
  • ছোট গল্প লেখার ক্ষেত্রে
  • কার্ড তৈরিতে

অন্যান্য –

  • ছাত্রদের assignment তৈরিতে ,প্রোজেক্ট এর কাজে
  • অফিসিয়াল ডকুমেন্ট এর কাজে
  • সিভি লেখার ক্ষেত্রে

নতুন ফাইল খোলা

ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে নতুন ফাইল খুলতে আপনাকে সেই ফাইলের ফাইল অপশন থেকে ডকুমেন্ট তৈরি করতে হবে।

যেমন – ms word 2010 এর ক্ষেত্রে নতুন ফাইল খোলার উপায় হচ্ছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ গিয়ে উপরে  menu-bar এ ক্লিক করে file> blank documents> create করলেই নতুন ফাইল তৈরি হয়ে যাবে।

সবশেষে,

আজ আমরা জেনে নিলাম ওয়ার্ড প্রসেসর কি, ওয়ার্ড প্রসেসর কি ধরনের সফটওয়্যার, এর ব্যবহার কি, ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, নতুন ফাইল খোলার উপায়,বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়ে বিস্তারিত।

পড়ুন – প্রিন্টার নিয়ে বিস্তারিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *